আবাসন সম্পর্কিত বাংলা ওয়েবসাইট (Bangladeshi website about housing)
-
*আবাসন সম্পর্কিত বাংলা ওয়েবসাইট:*
1) www.flatbari.com 2) www.nha.gov.bd 3) www.rehab-bd.org
4) www.mohpw.gov.bd 5) www.hbri.gov.bd 5) www.rehabhousin...
Life Security
(7)
Money Security
(5)
Police
(4)
Courier Service
(3)
Food Security
(3)
Home Security
(3)
Formalin
(2)
Hidden Camera
(2)
Road Security
(2)
Bank Security
(1)
Fire
(1)
Non Government Security Service
(1)
SPA
(1)
সমুদ্র সৈকতে
(1)
Showing posts with label Money Security. Show all posts
Showing posts with label Money Security. Show all posts
Friday, November 9, 2012
অনলাইন ব্যাংকিং - নিরাপত্তার কিছু দিক
অনলাইন ব্যাংকিং আপনার আর্থিক লেনদেনকে অনেক সহজ করে দেয়। আপনি আপনার
ব্যাংকের ওয়েবসাইটে গিয়ে লগইন করবেন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজগুলো অফিসে বা ঘরে
বসেই সারতে পারবেন। এতে আপনার সময় বাঁচবে ও ঝামেলা কমে যাবে। ছিনতাইয়ের
মতো ঘটনাও এড়ানো যায় সহজেই। আপনি স্ট্যানডিং অর্ডারগুলো সেটআপ করতে পারবেন,
ব্যাবসায়িক লেনদেনের জন্য অন্য লোকের একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন,
চেকবুকে অর্ডার করতে পারবেন। এমনকি সাধারণ লেনদেনের বাইরেও কিছু বাড়তি
সুবিধা দিয়ে থাকে অনলাইন ব্যাংকগুলো। এইজন্যই অনলাইন ব্যাংকগুলো সারা
পৃথিবীতে এত জনপ্রিয়। বিশ্বজুড়ে ক্রিমিনালদের আক্রমনের প্রধান লক্ষ্যবস্তও
এটি। আমরা আজকে কিছু প্রধান ক্রিমিনাল এ্যাটাক ও কিভাবে প্রতিহত করা যায় তা
নিয়ে আলোচনা করব।
Tuesday, November 6, 2012
অর্থ পরিবহনে পুলিশী নিরাপত্তা
অর্থ পরিবহনে পুলিশী নিরাপত্তা
বিভিন্ন সময়ে কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনার প্রেক্ষিতে এখন অনেকেই বড় অংকের টাকা
নিয়ে যাতায়াতে বেশ উদ্বিগ্ন থাকেন। সব সময় ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করা
সম্ভব না হওয়াতে ব্যক্তি পর্যায়ে এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নগদ টাকা
পরিবহন করতেই হয়।
বড় অংকের অর্থ আনা-নেয়ার ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাহায্য নিতে
পারেন আপনি। যেদিন পুলিশী নিরাপত্তা প্রয়োজন হবে তার চার থেকে পাঁচ দিন আগে
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবর কবে এবং কোথায় বিশেষ নিরাপত্তা
প্রয়োজন সেটা জানিয়ে আবেদন করতে পারেন, এজন্য আলাদা কোন মাশুল দিতে হবে না।
আর দরখাস্ত করতে সশরীরে যেতে হবে রমনায় অবস্থিত পুলিশ কমিশনার অফিসে। ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ এক্সচেঞ্জের( ৯৯৯ নম্বরে) ২২২২, ২৩৩৩, ২৪৪৪, ২৬৬৬
এক্সটেনশন নম্বরে ডায়াল করে বিস্তারিত জানতে পারেন।
Source: http://online-dhaka.com
Tuesday, September 25, 2012
জনগনের সাথে অভিনব প্রতারনা: সর্বশান্ত হয় মধ্যবিত্তরা
জনগনের সাথে অভিনব প্রতারনা: সর্বশান্ত হয় মধ্যবিত্তরা
বাগেরহাট : কে না চায় বড়লোক হতে, আর খুব দ্রুত বড়লোক হতে গিয়ে সর্বশান্ত হচ্ছেন মধ্যবিত্ত খেটে খাওয়া পরিবারের অনেকেই। আর মধ্যবিত্ত মানুষের বড়লোক হওয়ার স্বপ্নকে কাজে লাগিয়ে এক ধরণের প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। প্রতারকদের পাতানো ফাদে পা দিচ্ছে বেশির ভাগ খেটে খাওয়া মধ্যবিত্ত মানুষ।
যারা নিজেদের সর্বোচ্চ বিক্রি করে
প্রতারকদের আর্থিক চাহিদা মেটাচ্ছে কিন্তু বিনিময়ে তারা শুধু অর্থ পাওয়ার
বা বড়লোক হওয়ার স্বপ্নই দেখছে আসলে কিছুই পাচ্ছে না।
প্রতারক চক্রের মূল হাতিয়ার হচ্ছে, সীমানা পিলার, পুরোনো রম্নপার
মুদ্রা, তামার মুদ্রা, সিংহ মার্কা মুদ্রা, পুরোনো দলীল, কষ্টি পাথরের
মুর্তি, কাচের পুরম্ন বোতল, বোন আলুর মুথা, কালো বিড়াল আর এর সাথে নতুন যোগ
হয়েছে তড়্গক(কাকা)। মূলত এসবকে ভিত্তি করেই লোভ দেখানো হচ্ছে সাধারণ
মানুষকে, আর উল্লেখিত জন্তু ও বস্তু গুলোকে বোঝানো হচ্ছে মহামূল্যবান
হিসেবে,
যেমন বলা হচ্ছে একটি সীমানা পিলারের দাম ৫-৫০কোটি টাকা, একটি পুরোনো
তামা ও রূপার মুদ্রার দাম ৫-১০লাখ টাকা, একটি সিংহ মার্কা পয়সার দাম
২.৫-৭লাখ টাকা, পুরোনো দলীলের দাম ১-১০ লক্ষ টাকা, একটি কাচের পুরু বোতলের
দাম ৩-৮ লক্ষ টাকা, কষ্টি পাথরের মুর্তি ১০-১০০ কোটি টাকা, বোন আলুর বড়
মুথার দাম ১০-১৫ লক্ষ টাকা, একটি কালো বিড়ালের দাম অর্ধ কোটি টাকা আর নতুন
স্থান পাওয়া একটি তক্ষক(কাকা) এর দাম (১০০-৫০০০) কোটি টাকা এসব পন্য,
বস্তু বা প্রাণীর এত দাম শোনার পরে কোন সাধারন মানুষ ঠিক থাকতে পারেনা।
আর এসব লোভ দেখিয়ে একটি সংগঠিত প্রতারক দল বাগেরহাটের বিভিন্ন উপজেলার সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
প্রতারক দল গুলো খুবই সংগঠিত ভাবে কাজ কলে। জেলা পর্যায়ে এ দলের সদস্য
সংখ্যা থাকে ১০-২০জন। প্রথমে এদের দলের যে কাউকে দিয়ে সহজ-সরল মদ্যবিত্ত
একাধিক মানুষের সাথে বন্ধুত্ব তৈরি করায় এবং আস্তেআস্তে তাদের সাথে সম্পর্ক
গভীর থেকে গভীরতর হয় এবং এক সময় বলে আমার কাছে মহামূল্যবান সীমানা পিলার,
পুরোনো রুপার মুদ্রা, তামার মুদ্রা———–আছে, আমি ভাবছি কিছু দিব তাতেই
তোমার ১৪পুরুষ বসে জীবন কাটাতে পারবে ইত্যাদি। এভাবে কিছু দিন যাওয়ার পরে
তার্গেটকৃত ব্যক্তির কাছে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা ধার চায় প্রতারক এবং পরিচয়
করিয়ে দেয় দলে আরও কিছু সদস্যদের সাথে। আর এক এক করে ঐ তার্গেটকৃত ব্যক্তি
সবৃশান্ত না হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকে টাকা নেওয়ার খেলা। আর যখন সে টাকা টাকা
দিতে দিতে সর্ব শানত্ম হয়ে যায় এবং এক পর্যায়ে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে তখন আর
প্রতারকদের খুজে পাওয়া যায় না। এভাবেই চলে তাদের প্রতারণার ব্যবসা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাগেরহাটের কচুয়ার জনৈক ভ্যান ড্রাইভার বললেন,
“ভাই পিলারের পিছনে হাটতে গিয়ে বাপের ৮বিঘা(৫একর) সম্পত্তি ধ্বংস করেছি
এখন বৌ-পোলা পান নিয়ে ভ্যান চালাইয়া খাই” কিভাবে টাকা খেয়ালেন এমন প্রশ্নের
জবাবে তিনি বলেন, আমার দু:সম্পর্কেও আত্মীয় মোশারেফ হাজী সাহেব নামে এক
ভদ্রলোক প্রথমে আমার কাছে আসে এবং আমার বাড়ী বাজার করে নিয়ে আসা, আমার
বাচ্চামের খাবার কিনে দেওয়াসহ আমাকে বিভিন্ন ভাবে প্রভাবিত করে এবং এক
পর্যায়ে আমাকে তার কাছে একটি মহামূল্যবান পিলার আছে বলে জানায়, তার কিছুদিন
পরে পিলার বিক্রি করে আমাকে অর্ধেক দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়।
তারপর থেকেই পিলার সংরক্ষন, পিলার ক্রয়ের
পার্টি খোজাসহ বিভিন্ন অজুহাতে ২.৫বছরে(২০০৯-২০১১) আমার কাছ থেকে প্রায়
১০লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। আমি পিলার বিক্রি করা কোটি কোটি টাকা পাওয়ার নেশায়
অন্ধ ছিলাম তাই সে যখন যা বলছে তাই দিয়েছি।
এক পর্যায়ে যখন বুঝতে পারলাম যে, আমি কোন
দিনই পিলার পাব না তখন আমি তাকে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকলাম কিন্তু তিনি
আমাকে পুলিশের ভয় দেখাল। এর কিছুদিন পরে ২০১১ সালের শেষের দিকে তিনি এলাকা
থেকে নিখোজ হলে এবং এখনও বাড়ীতে আসে নাই শুনছি ইন্ডিয়া থাকে।
এছাড়াও বাগেরহাট জেলার বিভন্ন উপজেলায় খেঅজ নিলে শতাধিক ব্যক্তি পাওয়া
যাবে যারা প্রতারনার শিকার হয়েছেন। নয় উপজেলার সবচেচয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
লোক পাওয়া যাবে ফকিরহাটে। কিন্তু বিষয় হচ্ছে কোন ব্যক্তি এ বিষয়ে প্রতারিত
হলেও শিকার করতে রাজি হয় না।
তবে প্রতারিত লোকজন এসব প্রতারকদের শাস্তি চায়।
Source: http://www.unitednews24.com
রিপোর্ট »মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বার , ২০১২
Monday, August 20, 2012
রাজধানীতে আর্থিক লেনদেনে নিরাপত্তা সহায়তা দিবে পুলিশ
রাজধানীতে আর্থিক লেনদেনে নিরাপত্তা সহায়তা দিবে পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক : রমজান মাসে রাজধানীতে বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনে নিরাপত্তা সহায়তা দিবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। গতকাল শনিবার ডিএমপি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাস ও ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে ক্রয়-বিক্রয়, ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থের লেন- দেন ও স্থানান্তর বৃদ্ধি পাবে। কোন ব্যক্তি, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান অধিক পরিমাণ অর্থ স্থানান্তরের জন্য পুলিশের সহায়তা প্রয়োজন মনে করলে তাদেরকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এস্কর্ট প্রদান করবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ এস্কর্ট প্রত্যাশী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে যানবাহনের সংস্থান করতে হবে। সহায়তা প্রত্যাশী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সংশ্লিষ্ট থানা অথবা পুলিশ কন্ট্রোলরুমে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেয়া হযেছে। কন্ট্রোলরুমের নম্বর সমূহ নিম্নরূপ ঃ ফোন ঃ ৯৫৫৯৯৩৩, ৯৫৫১১৮৮, ৯৫১৪৪০০, ০১৭১৩-৩৯৮৩১১, ০১১৯১-০০১১২২ ও ৯৯৯ (ডিএমপি)।
Source: http://www.kholakagoj.com
Monday, March 28, 2011
নকল টাকা চেনার উপায়
নকল টাকা চেনার উপায়
নকল টাকা চিনতে না পারায় অনেকেই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। নকল টাকা চেনার উপায় জানাচ্ছেন সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, বুয়েট শাখার অফিসার (ক্যাশ) ও যুগ্ম জিম্মাদার মো. আবদুর রাজ্জাক
মারজান ইমু
* আসল নোটে 'বাঘের মাথা' এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের 'মনোগ্রাম'-এর জলছাপ
রয়েছে। ব্যাংকের মনোগ্রামটি বাঘের মাথার চেয়ে বেশি উজ্জ্বল। উভয়ই আলোর
বিপরীতে দেখা যাবে। নকল নোটে জলছাপ অস্পষ্ট ও নিম্নমানের।
* আসল টাকা বিশেষ নিরাপত্তামূলক কালিতে ছাপা, যা হাত দিয়ে স্পর্শ করলে উঁচু-নিচু বা অসমতল অনুভূত হয়। নকল নোটে হাতের স্পর্শে উঁচু-নিচু বা অসমতল মনে হবে না।
* আসল ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে বিশেষ নিরাপত্তামূলক কালিতে ছাপা যথাক্রমে তিনটি, চারটি ও পাঁচটি ছোট বৃত্ত রয়েছে_যা হাত দিয়ে স্পর্শ করলে সহজেই উঁচু-নিচু বা অসমতল অনুভূত হয়। নকল নোটে মনে হবে না।
* আসল নোটে টাকার অঙ্ক লিখতে রং পরিবর্তনশীল কালি ব্যবহার করা হয়েছে। লেখার ওপর সরাসরি তাকালে ম্যাজেন্টা বা লালচে এবং তির্যকভাবে তাকালে সবুজ বা সোনালি রং দেখা যাবে। নকল বা জাল নোটে দেখা যাবে না।
* ডান ও বাঁ প্রান্তে ফুলের নকশা রয়েছে আসল নোটে। নোটের উভয় পিঠে হুবহু একই স্থানে ছাপানো। যা আলোর বিপরীতে দেখা যাবে। নকল নোটে উভয় দিকে একই নকশা মেলানো বেশ কঠিন।
* আসল নোটের উভয় দিকে একই স্থানে স্বচ্ছভাবে ইংরেজিতে 'ই' আকৃতি আছে, যা আলোর বিপরীতে হুবহু একই জায়গায় ছাপা দেখা যাবে। নকল টাকায় এ রকম ছাপা কঠিন।
* টাকার গায়ে ইংরেজিতে 'Bangladesh Bank' লেখাটি অতি ক্ষুদ্র আকারে বারবার লেখা আছে, যা খালি চোখে দেখা যায় না। আতশি কাচ দিয়ে স্পষ্ট দেখা যাবে। নকল টাকায় আতশি কাচ দিয়ে দেখলে শুধু একটা রেখা দেখা যাবে। আসল টাকার মতো এত ক্ষুদ্র 'Bangladesh Bank' লেখাটি পাওয়া যাবে না।
* আসল নোটে চার মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতাটি সামনের দিকে ফোঁড় কেটে সেলাই করার মতো রয়েছে। কিন্তু পেছনের দিকে সুতাটি কাগজের ভেতরে অবস্থিত। নোটটি নাড়াচাড়া করলে সুতায় বিভিন্ন রং দেখা যাবে। আলোর বিপরীতে উভয় দিক থেকে সুতাটিতে 'বাংলাদেশ' লেখা শব্দটি উল্টা ও সোজাভাবে সম্পূর্ণ পড়া যাবে। নকল নোটে এরূপ হবে না।
* আসল নোটে চারদিকে কোনো সাদা বর্ডার না রেখে বিশেষ ডিজাইনে ছাপানো। ফলে নোটটি মোড়ানো হলে বিপরীত দিকের প্রান্তের নকশা মিলে পূর্ণাঙ্গ রূপ নেবে। নকল নোটে এ রকম মেলানো বেশ কঠিন। Source: http://www.kalerkantho.com
মারজান ইমু
* আসল নোটে 'বাঘের মাথা' এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের 'মনোগ্রাম'-এর জলছাপ
রয়েছে। ব্যাংকের মনোগ্রামটি বাঘের মাথার চেয়ে বেশি উজ্জ্বল। উভয়ই আলোর
বিপরীতে দেখা যাবে। নকল নোটে জলছাপ অস্পষ্ট ও নিম্নমানের।* আসল টাকা বিশেষ নিরাপত্তামূলক কালিতে ছাপা, যা হাত দিয়ে স্পর্শ করলে উঁচু-নিচু বা অসমতল অনুভূত হয়। নকল নোটে হাতের স্পর্শে উঁচু-নিচু বা অসমতল মনে হবে না।
* আসল ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে বিশেষ নিরাপত্তামূলক কালিতে ছাপা যথাক্রমে তিনটি, চারটি ও পাঁচটি ছোট বৃত্ত রয়েছে_যা হাত দিয়ে স্পর্শ করলে সহজেই উঁচু-নিচু বা অসমতল অনুভূত হয়। নকল নোটে মনে হবে না।
* আসল নোটে টাকার অঙ্ক লিখতে রং পরিবর্তনশীল কালি ব্যবহার করা হয়েছে। লেখার ওপর সরাসরি তাকালে ম্যাজেন্টা বা লালচে এবং তির্যকভাবে তাকালে সবুজ বা সোনালি রং দেখা যাবে। নকল বা জাল নোটে দেখা যাবে না।
* ডান ও বাঁ প্রান্তে ফুলের নকশা রয়েছে আসল নোটে। নোটের উভয় পিঠে হুবহু একই স্থানে ছাপানো। যা আলোর বিপরীতে দেখা যাবে। নকল নোটে উভয় দিকে একই নকশা মেলানো বেশ কঠিন।
* আসল নোটের উভয় দিকে একই স্থানে স্বচ্ছভাবে ইংরেজিতে 'ই' আকৃতি আছে, যা আলোর বিপরীতে হুবহু একই জায়গায় ছাপা দেখা যাবে। নকল টাকায় এ রকম ছাপা কঠিন।
* টাকার গায়ে ইংরেজিতে 'Bangladesh Bank' লেখাটি অতি ক্ষুদ্র আকারে বারবার লেখা আছে, যা খালি চোখে দেখা যায় না। আতশি কাচ দিয়ে স্পষ্ট দেখা যাবে। নকল টাকায় আতশি কাচ দিয়ে দেখলে শুধু একটা রেখা দেখা যাবে। আসল টাকার মতো এত ক্ষুদ্র 'Bangladesh Bank' লেখাটি পাওয়া যাবে না।
* আসল নোটে চার মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতাটি সামনের দিকে ফোঁড় কেটে সেলাই করার মতো রয়েছে। কিন্তু পেছনের দিকে সুতাটি কাগজের ভেতরে অবস্থিত। নোটটি নাড়াচাড়া করলে সুতায় বিভিন্ন রং দেখা যাবে। আলোর বিপরীতে উভয় দিক থেকে সুতাটিতে 'বাংলাদেশ' লেখা শব্দটি উল্টা ও সোজাভাবে সম্পূর্ণ পড়া যাবে। নকল নোটে এরূপ হবে না।
* আসল নোটে চারদিকে কোনো সাদা বর্ডার না রেখে বিশেষ ডিজাইনে ছাপানো। ফলে নোটটি মোড়ানো হলে বিপরীত দিকের প্রান্তের নকশা মিলে পূর্ণাঙ্গ রূপ নেবে। নকল নোটে এ রকম মেলানো বেশ কঠিন। Source: http://www.kalerkantho.com
Subscribe to:
Posts (Atom)